Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » অনুসন্ধান 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ৪, শিক্ষার্থী ৭

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক ৪, শিক্ষার্থী ৭
মো.খাইরুল ইসলাম আকাশ ২০ জানুয়ারী ২০১৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন Print

বরগুনা: জেলার তালতলী উপজেলার কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর গেন্ডামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪ জন শিক্ষক রয়েছে। এরা পড়াচ্ছেন মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থীকে।

বুধবার সকালে সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে ৪ জন শিক্ষক নিয়ে উত্তর গেন্ডামারা রেজিস্ট্রি স্কুলটি স্থাপিত হয়। দীর্ঘ দিন বিদ্যালয়টি এ অবস্থায় চলার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী ২০১৩ সালের ৯ জানুয়ারি জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণের পর শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা বাড়লেও বাড়েনি বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার মান। ধীরে ধীরে অবনতির দিকে যেতে থাকে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিও। এ অবস্থায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাদের সন্তানদের ভবিষ্যত লেখা পড়া নিয়ে।

অভিভাবক সেলিনা বেগম অভিযোগ করে ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘বিদ্যালয়টি সরকারি করার পর শিক্ষকরা যার যে মত চলাফেরা শুরু করে। ৪জন শিক্ষক থাকলেও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন ছাড়া বাকি ৩ জনই স্কুলে প্রায়ই আসেন না। প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জেল হোসেন অফিসের অজুহাত দেখিয়ে মাসের ২০ থেকে ২২ দিন অনুপস্থিত থাকেন। এ কারণে এ বিদ্যালয় থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী জানুয়ারির প্রথম দিকে ছোটবগী কমডেকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের স্কুলে ভর্তি হয়েছেন।’

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতি ও জমিদাতা সদস্য আব্দুল গনি সিকদার অভিযোগ করে ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসেন না।’

তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্থানীয় সাংবাদিকরা সরেজমিন উপস্থিত হয়ে আনোয়ার হোসেন নামে একজন শিক্ষক এবং প্রথম শ্রেণিতে তুফা মনি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে হাবিবা, তৃতীয় শ্রেণিতে বায়েজিদ ও আতাউল্লা, পঞ্চম শ্রেণিতে সাইফুল নামে এক জনের উপস্থিতি দেখতে পান। প্রধান শিক্ষকসহ ৩জন শিক্ষক তখন বিদ্যালয়ে আসেননি।

সাংবাদিকদের উপস্থিতির খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে বারেক নামে আরেক জন শিক্ষক এসে ক্লাশে উপস্থিত হন। এ অনিয়মের বিষয়ে মোবাইল ফোনে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘অফিসের কাজে প্রায়ই তাকে অফিসে যেতে হয় যে কারণে স্কুলে যেতে পারেন না।

তালতলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহম্মেদ ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ব্রেকিংনিউজ/প্রতিনিধি/এমই



আপনার মন্তব্য

অনুসন্ধান বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং