Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » অনুসন্ধান 

সেতুর রেলিং ভেঙে গেলেও পদক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের

সেতুর রেলিং ভেঙে গেলেও পদক্ষেপ নেই কর্তৃপক্ষের
আরাফাতুজ্জামান ১৬ জানুয়ারী ২০১৬, ২:৫৭ অপরাহ্ন Print

ঝিনাইদহ: ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশে ৩টি ঝুকিপূঁর্ণ সেতুর কারণে হাজার হাজার যানবাহন অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সাধারণ মানুষ এই ঝুঁকি মোকাবেলায় সেতুতে বাঁশ বেঁধে দিয়েছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নেই।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর থেকে শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ পর্যন্ত রয়েছে ছোট বড় ৮ টি সেতু। যার মধ্যে ৩টি আছে ঝুঁকিপূর্ণ। এগুলোর রেলিং ভেঙে পড়ে আছে বছরের পর বছর।

সেতুগুলো হচ্ছে- ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর ক্যাডেট কলেজের সামনে ও শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ বাজারের দুই প্রান্তে দুইটি। তিনটি সেতুরই একপাশের রেলিং ভেঙে পড়ে আছে। ফলে যানবাহন রেলিং ঘেঁষেই চলাচল করছে।

আরাপপুর এলাকায় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘বছর দুই হলো একটি ট্রাকের ধাক্কায় ভেঙে যায় সেতুটির পশ্চিম পাশের রেলিং। সেতুর সঙ্গে ঝুলে আছে ঢালাইগুলো। এভাবে ৫ থেকে ৬ মাস যাবার পর একদিন একটি ইঞ্জিন চালিত ভ্যান পড়ে যায়। এতে দুইজন আহত হন। এই অবস্থা দেখে তারা এলাকার লোকজন সেতুর ওই ভাঙা স্থানে বাঁশ বেঁধে দেন। কিছুদিন পরে সেই বাঁশও নষ্ট হয়ে যায়। সদ্য তারা আবারও বাঁশ বেঁধে রেখেছেন বলে জানান। গাড়াগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ প্রান্তের সেতুটির পশ্চিম রেলিং ভেঙে কিছু অংশ পড়ে গেছে, আর কিছুটা হেলে আছে।’

ওই এলাকার বাসিন্দা উজ্জল কুমার ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘রেলিং ভাঙা সেতুর উপর যানবাহন এলে ভয়ে পাশ দিয়ে আরেকটি গাড়ি যেতে পারে না। এই রেলিং ভাঙার কারণে মাঝে মধ্যেই ছোট বড় দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছেন গাড়ির চালকরা ও পথচারী। আর গাড়াগঞ্জ বাজারের উত্তরে মহেশপুর এলাকায় যে সেতুটি রয়েছে তারও পশ্চিমের রেলিং ভেঙে পড়ে আছে প্রায় ৩ বছর।’

ওই এলাকার বাসিন্দা মকলেচুর রহমান ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘কর্তৃপক্ষকে এলাকার পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোনো পদক্ষেপ নেন না।’

ওই সড়কে চলাচলকারী ট্রাক চালক আব্দুস সবুর ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘সেতুর রেলিং ভেঙে বছরের পর বছর পড়ে থাকার কারণে চালকদের মধ্যে ভয় কাজ করছে।’

আমির হোসেন নামে এক সিএনজি চালক ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘কর্তৃপক্ষ এগুলো দেখেও না দেখার ভাণ করে থাকেন।’

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘সেতুর রেলিং দ্রুত এগুলো মেরামত করা হবে। ইতোমধ্যে মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

ব্রেকিংনিউজ/প্রতিনিধি/এমই



আপনার মন্তব্য

অনুসন্ধান বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং