Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » অনুসন্ধান 

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণেই দুর্ঘটনা

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকের কারণেই দুর্ঘটনা
হেলাল উদ্দিন ১২ নভেম্বর ২০১৫, ৫:১২ অপরাহ্ন Print

কক্সবাজার: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক। এসব বাঁকে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কের কক্সবাজার অংশের ১১৫ কিলোমিটার দুর্ঘটনা প্রবণ হয়ে পড়েছে। গত অক্টোবর মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝড়ে গেছে ২২টি প্রাণ। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৮০ জন।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সূত্রে জানা গেছে এই তথ্য। দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে ১১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ৭৫টি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক।

সর্বশেষ গত ৮ নভেম্বর সকাল ৮টায় কক্সবাজার ইসলামপুর এলাকায় হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ধাক্কায় নসিমন উল্টে গিয়ে চালকসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

নিরাপদ সড়ক চাই জেলা শাখার সভাপতি জসিম উদ্দিন ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘গত অক্টোবর মাসে চকরিয়া, উখিয়া, টেকনাফ ও কক্সবাজার সদরে ৩৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৮০ জন। কক্সবাজার অংশের ১১৫ কিলোমিটার সড়কে বিপজ্জনক বাঁকে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বেশির ভাগ দুর্ঘটনায় মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। তবে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে কেউ মামলা করেননি।’

চালক ও নিসচা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মহাসড়কের খরুলিয়া, বাংলা বাজার, রামু, পানিরছড়া, ঈদগাঁও, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, মালুমঘাট, চকরিয়া, বরইতলী, হারবাংসহ ৩৮টি স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক রয়েছে। দূর থেকে এসব বাঁক খেয়াল করা যায় না। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় এবং ঘন কুয়াশায় বাঁকগুলো অতিক্রম করার ঝুঁকি বাড়ে। এ সময় বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা বেশি ঘটে।

কক্সবাজার বাস মালিক সমিতির সভাপতি রফিকুল হুদা চৌধুরী ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকে সাইনবোর্ড স্থাপন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে আমরা সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগকে বলছি। কিন্তু তারা শুনছে না। যার কারনে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে।’

সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) মোহাম্মদ মাসুদ আলম ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘যেখানে দুর্ঘটনা হয়, সেই থানায় মামলা হয়। তাঁদের কাছে জেলাভিত্তিক সঠিক পরিসংখ্যান নেই বলে জানান।’

শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের চালক রহমত উল্লাহ ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক অতিক্রম করার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ সড়ক সংস্কারের জন্য প্রতিবছর শত কোটি টাকা খরচ করলেও সাইনবোর্ড স্থাপন করে না।’

এ বিষয়ে সওজ কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী রানা প্রিয় বড়ুয়া ব্রেকিংনিউজকে জানান, ‘এ মহাসড়কে যত বাঁক রয়েছে, তার প্রতিটিতে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড ছিল। চোরের দল এসব খুলে নিয়ে গেছে। নতুন করে সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড লাগানো হবে।’

ব্রেকিংনিউজ/প্রতিনিধি/এমই



আপনার মন্তব্য

অনুসন্ধান বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং