Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

বৃহস্পতিবার ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, পূর্বাহ্ন

প্রচ্ছদ » জাতীয় 

বাঙালির মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

বাঙালির মহান স্বাধীনতা দিবস আজ
প্রতিবেদক ২৬ মার্চ ২০১৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন Print

ঢাকা: আজ ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বাঙালির দীর্ঘ স্বাধিকার আন্দোলনের চূড়ান্ত লড়াইয়ের সূচনার কাল। প্রতিবছর মহান স্বাধীনতা দিবস জাতির জীবনে প্রেরণায় উজ্জীবিত হওয়ার নতুন বার্তা নিয়ে আসে। স্বাধীনতা দিবস তাই বাংলাদেশের মানুষের কাছে মুক্তির প্রতিজ্ঞায় উদ্দীপ্ত হওয়ার ইতিহাস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে ৪৬তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপন করবে জাতি। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বাণী দিয়েছেন।

২৫ মার্চের মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া হত্যাযজ্ঞের ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উঠে দাঁড়িয়ে বাঙালি এই দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও দেশ স্বাধীন করার শপথ গ্রহণ করে। এই দিনেই প্রতিটি বাঙালির মনে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের বীজ রোপিত হয়। স্বাধীন বাংলার অবরুদ্ধ রাজধানী ঢাকা ছাড়া সমগ্র বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা দিনে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলিত হয়।

আজ থেকে ৪৫ বছর আগে ১৯৭১ সালের এই দিনে (২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে, রাত ১২টা ২০ মিনিট) তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্স (ইপিআর)-এর ওয়্যারলেসের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবু র রহমান।

ওয়্যারলেস ম্যাসেজটি ছিল ইংরেজীতে। এটি বাংলা করলে দাঁড়ায়- ‘এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরোধ করার জন্য আমি তোমাদের আহবান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।’

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনারা নারকীয় হত্যাকাণ্ড শুরু করার পর ওই রাতেই (রাত ১টার পর) বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানি সেনাদের হাতে আটক হওয়ার আগেই ওয়্যারলেস ম্যাসেজে ওই ঘোষণাটি দেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর এ ম্যাসেজটি ২৬ মার্চ সকাল থেকে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা এবং সাধারণ জনগণ হাতে লিখে সাইক্লোস্টাইল কপি করে, ছাপানো হ্যান্ডবিল আকারে ও মাইকিং-এর মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রথম পাঠ করেন চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণাসহ এ ভাষণটি মুসাবিদা করেছিলেন ডা. জাফর। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ফটিকছড়ি কলেজের উপাধ্যক্ষ আবুল কাসেম সন্দীপ, কবি আবদুস সালামসহ আরো অনেকেই স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। ইংরেজীতে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন ওয়াপদার ইঞ্জিনিয়ার আসিকুল ইসলাম ও স্বাধীন বাংলা বেতারের প্রযোজক আবদুল্লাহ্ আল ফারুক। ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার পেয়েছিল।

চট্টগ্রামের কালুরঘাটস্থ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তদাণীন্তন মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার যে ঘোষণাটি পাঠ করেছিলেন -সেটি ছিল ২৭ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়। জিয়াউর রহমানের আগে একই বেতার কেন্দ্র থেকে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাসহ অনেকেই বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। কিন্তু জিয়ার ঘোষণাটি প্রায় দুইদিন পরে হওয়ায় এটি অনেক বেশি লোক শুনতে পেয়েছিল এবং একজন সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে তার বক্তব্যটি বাঙালি সেনা ও সাধারণ জনগণকে বিশেষ অনুপ্রাণিত করেছিল।

প্রসঙ্গত: ৭ মার্চের ভাষণেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার মূল ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। ৭ মার্চের তিন দিন আগে ৩ মার্চ শেখ মুজিব বিদেশি সংবাদদাতাদের ‘অব দ্য রেকর্ড’ বলেছিলেন, তিনি রোববার যে ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন, তা হবে স্বাধীনতার সমার্থক। ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও নিকট প্রাচ্য বিভাগের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোসেফ জে সিসকো মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম পি রজার্সকে যে তথ্য স্মারক পাঠান, তাতে এ কথা জানা যায়।

সাত মার্চের পর প্রতিদিনই বিভিন্ন বক্তৃতা-বিবৃতিতে স্বাধীনতার লড়াইয়ের জন্য জনগণকে প্রস্তুত থাকার আহবান ও নির্দেশ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু। যদিও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। কিন্তু আলোচনা যতই হোক, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া যে ক্ষমতা ছাড়বেন না -এ কথা ইয়াহিয়া যেমন জানতেন, তেমনি বঙ্গবন্ধুও তা বুঝতে পেরেছিলেন।

২৫ মার্চ রাতে গণহত্যার পর বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ও স্বত:স্ফূর্তভাবে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। দীর্ঘ সাড়ে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে বাঙালি।

ঢাকার পরিস্থিতি ও ভুট্টোর ঢাকা ত্যাগ

অবরুদ্ধ ঢাকা শহর ব্যতীত এদিন (২৬ মার্চ) সমগ্র বাংলাদেশে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। সকালে বঙ্গবন্ধুকে ঢাকা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে আদমজী স্কুল থেকে বন্দী অবস্থায় ফ্ল্যাগ স্টাফ হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে সারাদিন আটক রেখে সন্ধ্যায় অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

পিপলস পার্টি প্রধান জুলফিকার আলী ভুট্টো কড়া সামরিক প্রহরায় সকালে ঢাকা ত্যাগ করেন। করাচী বিমান বন্দরে পৌছে তিনি ঢাকায় ২৫ মার্চ রাতে সেনাবহিনীর অপারেশনের প্রশংসা করে বলেন, ‘আল্লাহকে অশেষ ধন্যবাদ। সেনাবাহিনী পাকিস্তানকে রক্ষা করেছে।’

এদিন কারফিউ দিয়ে দখলদার পাক সেনারা দলে দলে রাস্তায় নেমে ভবন, বস্তি ও নেতৃবৃন্দের বাসভবনের ওপর ভারি মেশিনগান ও কামান দাগাতে থাকে। বিদেশী সাংবাদিকদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আটক রাখা হয়। এদিন শুক্রবার হলেও ঢাকার কোনো মসজিদে জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি। পাকসেনারা দুপুরে পুরনো ঢাকা আক্রমণ করে এবং মধ্যরাত পর‌্যন্ত ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তাদের সহযোগিতা করে স্থানীয় অবাঙালী বিহারী নাগরিকেরা। তারা দি পিপল, সংবাদ, ইত্তেফাক, বাংলার বাণী অফিস ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ট্যাঙ্কের গোলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একাধিক গণকবর খুঁড়ে সেখানে শত শত লাশ মাটি চাপা দিয়ে তার ওপর বুলডোজার চালায়। নগরীর বিভিন্ন স্থানে সারারাত ধরে হাজার হাজার লাশ মটি চাপা দেওয়া হয়। পুরনো ঢাকার লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

চট্টগ্রামে ছাত্র-যুবক-শ্রমিক-পুলিশ-ইপিআর ও বাঙালী সৈনিকদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ বিপ্লবী বাহিনীর সদস্যরা নগরীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় দখলদার পাকিস্তানী সৈন্যদের পর‌্যদুস্ত করে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করেন। রাতে কুমিরায় কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী পাকবাহিনীর সঙ্গে প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।

ইয়াহিয়ার বেতার ভাষণ

এদিন রাত আটটায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান করাচী থেকে এক বেতার ভাষণে বলেন, ‘পূর্ব পাকিস্তান সরকারের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সেনাবাহিনীকে আদেশ দেয়া হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছেন। তিনি এবং তার দল আওয়ামী লীগ তিন সপ্তাহ ধরে আইনসঙ্গত কর্তৃপক্ষকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ প্রদান করে সরকারী কাজকর্মে বাধা প্রদান করেন। তারা হাঙ্গামা সৃষ্টি করেছেন, ভীতি প্রদর্শন করেছেন এবং সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছেন। আইন অমান্য করে একটি সমান্তরাল সরকার গঠনের প্রয়াস চালিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘শেখ মুজিবুর রহমানের একগুয়েমি, অনড় মনোভাব ও আলোচনা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শত্রু। তারা পূর্ব পাকিস্তানকে একেবারেই বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে চান। শেখ মুজিবুর রহমান দেশের সংহতি ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হেনেছেন। এ অপরাধের জন্য তাকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।’

ইয়াহিয়া খান আরও বলেন, ‘আমি কতিপয় ক্ষমতালিপ্সু ও দেশপ্রেমবর্জিত ব্যক্তিকে দেশ ও ১২ কোটি মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দিতে পারি না। সে জন্য আমি সেনাবাহিনীকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ দিয়েছি। সেই সঙ্গে আমি বর্তমান পরিস্থিতিতে সারাদেশে রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করেছি। প্রচার মাধ্যমের ওপরও পূর্ণ সেন্সরশিপ বলবৎ করেছি।’

জাতীয় ও সরকারি কর্মসূচি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন উপলক্ষে এবার জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ ভোরে সশস্ত্র বাহিনীর তত্ত্বাবধানে রাজধানীতে একত্রিশ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এসময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সুসজ্জিত দল আন্তঃবাহিনী গার্ড অব অনার প্রদান করবে। এরপর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধারা, বাংলাদেশে অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিকগণ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সাধারণ নাগরিকগণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এছাড়া সকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শিশু-কিশোর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। দিবসের তাত্পর্য তুলে ধরে সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ নিবন্ধ ও ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারিত হয়ে থাকে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে। এদিকে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর বাদক দল রাজধানীর ক্রিসেন্ট লেক, ফার্মগেটে পার্ক এলাকা মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বেলা তিনটা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বাদ্য পরিবেশন করবে। জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ স্মারক ডাক টিকেট প্রকাশ করবে। হাসপাতাল, জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রমসহ এ ধরনের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং রাতে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটির দিন। এদিন রাজধানীর সড়ক ও সড়কদ্বীপ জাতীয় পতাকাসহ নানা রঙের পতাকা দিয়ে সাজানো হবে।

ব্রেকিংনিউজ/এসআই



আপনার মন্তব্য

জাতীয় বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং