Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

শুক্রবার ১৯ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, পূর্বাহ্ন

প্রচ্ছদ » আইন 

না ভোট কেন নয়, জানতে চান আদালত

না ভোট কেন নয়, জানতে চান আদালত
আদালত প্রতিবেদক ২৪ নভেম্বর ২০১৩, ৪:৫৬ অপরাহ্ন Print

ঢাকা: ২০০৮ সালের নির্বাচনে না ভোটের বিধান থাকলেও পরে তা তুলে দেয়া হয়। তবে এবার গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) ‘না’ ভোটের বিধান সংযোজনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।

রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম  সরকারের বেঞ্চ রোববার এই রুল জারি করে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনের সচিবকে দুই সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনকারী পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রেদওয়ান আহমেদ রানজীব। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল  আমিন সরকার।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. শাহরিয়ার মজিদ ও অ্যাডভোকেট রোকনউদ্দিন মো. ফারুক গত ১৭ নভেম্বর এ রিট আবেদন করেন।

রিটে বলা হয়, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়াসহ ১৪টি দেশে ‘না’ ভোটের বিধান রয়েছে। এমনকি বাংলাদেশেও সর্বশেষ সংসদীয় নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান ছিল। কিন্তু পরে এটি বাদ দেয়া হয়।

“যোগ্য প্রার্থীরা যাতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কাউকে ভোট দিতে ‘বাধ্য না হয়’ সে জন্যই এ ভোটের বিধান থাকা প্রয়োজন।”

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো প্রার্থীকে পছন্দ না হলে ভোটার যাতে বিষয়টি জানাতে পারেন- সেজন্যই ব্যালট পেপারে এই ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা রাখা হয়।

এর আগে মো. শাহরিয়ার মজিদ একই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে উকিল নোটিস দিয়েছিলেন।

ওই নোটিসে বলা হয়, ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের নাগরিকরা প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ দেয়ার সুযোগ পায়। ২০০৭-০৮ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৩১(ক) ধারায় ‘না ভোট’ দেয়ার বিধান ছিল।

“ওই অধ্যাদেশের ৪০(ক) ধারায় উল্লেখিত অন্য একটি বিধানে বলা হয়, যদি ‘না ভোট’ সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীর ভোটকে ছাড়িয়ে যায়; সেক্ষেত্রে নতুন করে নির্বাচন হবে। পরে নোটিসের বিবাদীরা (সরকার ও নির্বাচন কমিশন) ‘না ভোটের’ বিধান বাতিল করে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে।”

এই রিটকারী বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী সব প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করে ‘নেতিবাচক’ ভোট দেয়ার অধিকার বাংলাদেশের নাগরিকদের রয়েছে, যা নির্বাচনকে আরো বেশি কার্যকর করে তুলতে পারে।

“এর মাধ্যমে নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে। নেতিবাচক ভোটের বিধান পদ্ধতিগত পরিবর্তন নিয়ে আসবে। ‘ক্লিন’ প্রার্থী দিতে রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য হবে।”

ব্রেকিংনিউজ/এএইচ



আপনার মন্তব্য

আইন বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং