Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » সাক্ষাৎকার 

দশম বর্ষ পূর্তি

পারিবারিক চ্যানেল হবে বাংলাভিশন: শামীম শাহেদ

 পারিবারিক চ্যানেল হবে বাংলাভিশন: শামীম শাহেদ
৩০ মার্চ ২০১৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ন Print

৩১ মার্চ দশম বর্ষ পূর্তি করে একাদশ বর্ষে পদার্পণ করতে যাচ্ছে বাংলাভিশন। এই উপলক্ষে কথা হচ্ছিল বাংলাভিশনের অনুষ্ঠান প্রধান শামীম শাহেদ-এর সঙ্গে। শুরু থেকে যিনি চ্যানেলটির সঙ্গে জড়িত আছেন। অনুষ্ঠানসহ চ্যানেলটির বর্তমান ও আগামীর ভাবনা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি

দশ বছর একটা চ্যানেলের জন্য বেশি সময় নয় আবার কম সময়ও নয়। আপনাদের অর্জন কতটুকু?

আপনার কথার সুর ধরে আমি বলতে চাই দশ বছরে আমাদের অর্জন খুব বেশি নয় আবার খুব কমও নয়। এই সময়টুকুর মধ্যে আমরা দর্শকের মনে আলাদা করে জায়গা করে নিতে পেরেছি। আমাদের বলার মতো বেশ কিছু অনুষ্ঠান তৈরি হয়েছে। সংবাদে নিরপেক্ষতার বিশ্বাস তৈরি হয়েছে। জনপ্রিয় নাটকের একটি বড় তালিকা তৈরি হয়েছে।

বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কী কী আয়োজন থাকছে আপনাদের?
দেখুন আমাদের দেশে এতগুলো চ্যানেল, সবার এত এত বার্তা, তার মধ্যে একটা চ্যানেলের জন্মদিন এটা দর্শকের জন্য কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ আমার সন্দেহ আছে। তারপরও আমাদের শুভাকাঙ্খিরা আছেন, শিল্পী-কলাকুশলীরা আছেন, ক্যাবল অপারেটার-বিজ্ঞাপন দাতারা আছেন, তারা নিশ্চয়ই আমাদেরকে শুভ-কামনা জানাতে আসবেন। তাদের জন্য দিনব্যাপী বাংলাভিশন দপ্তরে বিশেষ আয়োজন থাকবে। পর্দায় দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন থাকবে।

বাংলাভিশনের শুরুর সময়টাতে আপনি ছিলেন। তখনকার উন্মাদনা কেমন ছিল?

সত্যি সত্যি প্রচন্ড উন্মাদনা নিয়ে আমরা বাংলাভিশন শুরু করেছিলাম। তখন এত সুন্দর বসার জায়গাগুলো ছিল না। একটা ফ্লোরে খোলা জায়গায় বসে অফিস করতাম। তারপর অপি করিমের আমার আমি, মামুনুর রশিদের সময় অসময়, শারমিন লাকির আপনার আগামী, আসিফ নজরুলের আর্টিক্যাল থার্টিনাইন এসবের মধ্যদিয়ে ধীরে ধীরে আলাদা হতে লাগল। তবে এই যুদ্ধটা চিরন্তন। চলতেই থাকবে।

সবাই অভিযোগ করে বলে কেউ আমাদের দেশের চ্যানেলগুলো দেখে না। আপনার মতামত কী?

দেখুন একজন বাংলাদেশি পৃথিবীর যেকোনো জায়গাতেই থাকুক না কেন প্রথমে বাংলাদেশের চ্যানেল দেখতে চায়। না পেলে সহজলভ্য অন্য দেশের বাংলা চ্যানেলগুলো দেখার চেষ্টা করে। তাও না পেলে তখন অন্য চ্যানেল দেখে। ফলে এটা নিশ্চিন্তে বলা যায়, দেখার উপযোগি কিছু থাকলে সবাই আমাদের চ্যানেল দেখবে। এর একটা জলজ্যান্ত প্রমান আমাদের ঈদের আয়োজনগুলো। তখন কিন্তু আমাদের টিআরপি অন্য যেকোনো বিদেশী চ্যানেলের চাইতে বেশি থাকে। তবে ভালো অনুষ্ঠান প্রচারের কাজটা অনেক কঠিন।

আপনি দ্বিতীয় দফায় যোগ দিয়েছেন তাও প্রায় ছয় বছর হতে চলল। এর মধ্যে বাংলাভিশনকে কীভাবে আলাদা করেছেন?

এই প্রশ্নটার সঙ্গে আপনার আগের প্রশ্নটা যুক্ত। অনেকেই বলে আমাদের দেশের চ্যানেল নাকি আমাদের দর্শক দেখে না। কিন্তু আমি তো মনেকরি বাংলাভিশন অনেকের কাছেই জনপ্রিয়। যেমন ধরেন, আরমান ভাই, সিকান্দার বক্স, ফরমালিন, অ-এর গল্প, হাড়কিপ্টে, আমি এখন কী করব, বিপাশার অতিথি, মনের কথা এই নামগুলো অনেকের কাছেই পছন্দের নাম। তাহলে আমরা জোড় দিয়ে বলতে পারি, বাংলাভিশন কিছুটা হলেও আলাদা হতে পেরেছে।

আগামীর পরিকল্পনা কী?

সামনে তিন-চার বছর বাংলাভিশনকে আমরা পারিবারিক চ্যানেল বানানোর চেষ্টা করব। পারিবারিক চ্যানেল হবে বাংলাভিশন। পারিবারিক বন্ধন কতটা জরুরি তা তুলে ধরার চেষ্টা করব। পাশাপাশি ফান থাকবেই। আমি ফান ভক্ত মানুষ। আর আমার ব্যাক্তিগত পরিকল্পনা যদি জানতে চান তাহলে বলব, আমার পরিকল্পনা সামনের সময়টাতে অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন নিয়েও আমি কাজ করতে চাই। এটা আমার নতুন চ্যালেঞ্জ।

ব্রেকিংনিউজ/বিএইচ



আপনার মন্তব্য

সাক্ষাৎকার বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং