Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

শনিবার ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, পূর্বাহ্ন

প্রচ্ছদ » স্বাস্থ্য 

যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসায় সাফল্যের হার ৯৪ শতাংশ

যক্ষ্মা রোগীর চিকিৎসায় সাফল্যের হার ৯৪ শতাংশ
ছবি: বেকিংনিউজ
প্রতিবেদক ২৩ মার্চ ২০১৬, ৫:২৮ অপরাহ্ন Print

ঢাকা: বাংলাদেশে ২০১৪ সালে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মাধ্যমে সনাক্তকৃত কফে যক্ষ্মা জীবানুযক্ত রোগীর চিকিৎসার সাফল্যর হার ৯৪ শতাংশ। আর ২০১৫ সালে ২ লক্ষেরও বেশি যক্ষ্মা রোগী সনাক্ত করা ও চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়। এর মধ্যে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু রোগীদের সংখ্যা ৮ হাজার ১শ’ ৩ জন।

‘ঐক্যবদ্ধ হলে সবে, যক্ষ্মা মুক্ত দেশ হবে’ এই স্লোগান সামনে রেখে ২৪ মার্চ পালিত হবে বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। এ দিবসকে সামনে রেখে বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে। সম্মেলনে যক্ষ্মা সংক্রান্ত এ জরিপ তুলে ধরা হয়।

জরিপে বলা হয়েছে, যক্ষ্মার কারণে ৯৫ শতাংশের বেশি মৃত্যু হয় নিন্ম ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এবং ১৫ থেকে ৪০ বছর বয়সী মহিলাদের মৃত্যুর প্রধান ৫টি কারণের মধ্যে অন্যতম। একজন মানুষ সক্রিয় যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলে তার শরীরে কাশি, জ্বর, রাতে ঘাম হওয়া, ওজন কমা প্রভৃতি লক্ষণ সমূহের দীর্ঘদিন ধরে মৃদু প্রকাশ ঘটাতে পারে, এর ফলে রোগীর সেবা গ্রহণে বিলম্ব ঘটে, যা রোগের বিস্তার ঘটায় ও পরিণামে রোগটিকে জটিল করে তোলে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ মতে অন্যদেশ গুলোর তুলনায় বাংলাদেশের যক্ষা প্রতিরোধ ও নিরাময় কার্যক্রম বেশ সন্তোষজনক। ২০৩৫ সালের মধ্যে যক্ষ্মামুক্ত করার জন্য অ্যাম্বিসাস টার্গেটের মাধ্যেমে বাংলাদেশে এই হার আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যক্ষ্মাজনিত অসুস্থতা, যক্ষ্মায় মৃত্যু ও সংক্রমণের হার কমিয়ে আনা। যাতে যক্ষ্মা আর জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত না হয়।

বাংলাদেশ ১৯৯৩ সালে যক্ষা চিকিৎসায় (ডিওটিএস) পদ্ধতিগ্রহণ করে ১৯৯৪ সালে সরকার ও বেসরকারি ২৮টি সহযোগী সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সাক্ষরিত হয়। বর্তমানে ১১০৪টি ল্যাবরেটরি ও ৪০টি ইকিউএ ল্যাবরেটরি এবং ৩৯ টিজিন বিশেষজ্ঞ এর মাধ্যমে যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন- ডা. মো. কামরুল ইসলাম, ব্র্যাকের টিবি প্রোগাম হেড ডা. শায়েলা ইসলাম, এসআইএপিএস, এমএসএইস কান্ট্রি প্রোজেক্ট ডিরেক্টর জাহিদুল ইসলাম, ডা. আব্দুল হামিদ , ন্যাশনাল টিবি কন্ট্রোল প্রোগামের ন্যাশনাল প্রোগাম কনসাল্টেন্ট ডা. মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

ব্রেকিংনিউজ/এএন/এসআই



আপনার মন্তব্য

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং