Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » শিক্ষা 

স্ট্যামফোর্ডের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব

স্ট্যামফোর্ডের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব
প্রতিবেদক ১৫ মার্চ ২০১৬, ৮:২১ অপরাহ্ন Print

ঢাকা: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-স্ট্যামফোর্ডের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। বাংলাদেশ ট্রেড কর্পোরেশন (বিটিসি)-অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ডক্টর অশোক গুপ্ত এবং স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এম.এ.হান্নান ফিরোজের মধ্যে এ বিরোধ দেখা দিয়েছে।

এ সম্পর্কে ইউজিসি (ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন) দুপক্ষকেই নিজেদের স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বলেছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বিবাদমান দুপক্ষই নিজেদের পক্ষে ক্যাম্পাস দখলে নেয়ার জন্য ইউজিসিতে উপস্থিত হন বলেও জানা গেছে।

ড. অশোক গুপ্ত বলেন, ‘৫১, সিদ্ধেশ্বরী রুশ সরকারের সম্পত্তি। বাংলাদেশ ট্রেড কর্পোরেশন ২০ বছরের জন্য ওই সম্পত্তি রুশ সরকার থেকে লিজ নেয়। ২০০২ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এই চুক্তির মেয়াদ। বিটিসি ভাড়াটিয়া হিসেবে সম্পত্তির একাংশ স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে ভাড়া দেয়। এ সম্পর্কে দুপক্ষের মধ্যে চুক্তি হয়।’ 

তিনি জানান, ‘চুক্তিতে বলা হয়েছে- জানুয়ারি ২০১৪ সাল থেকে প্রতি মাসে ১৮ লক্ষ টাকা এবং বছরে ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় বিটিসিকে প্রদান করবে। আগের সব চুক্তি বাতিল করে এই চুক্তি ২০১৬ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর ভাড়া বাবদ স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় যে চেক প্রদান করে, তা পর্যাপ্ত টাকা না থাকার কারণে চেক ফেরত হয়।’

এ সম্পর্কে বিটিসি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ২০০৩, ২০০৯, ২০১২ সালে ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০১২ সালের চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই হান্নান ফিরোজের আকুল আবেদন ও ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনা সাপেক্ষে আরও ৫ বছর মৌখিকভাবে জায়গা ব্যবহারের আমি অনুমোদন করি। তবে শর্ত দেই, ২০১৭ সালের মধ্যে এই ক্যাম্পাস সরিয়ে নিতে হবে।’ 

হান্নান ফিরোজ ঠিক মত ভাড়া প্রদান করতেন না। বর্তমানে বিটিসি ভাড়া বাবদ তার কাছে ৭ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা পায়। ২০১৫ সালে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে নোটিশ প্রদান করা হলে তারা এ ব্যাপারে সঠিক জবাব প্রদান করেনি। এই সমস্যাগুলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে লিখিতভাবে দেয়া হয়েছে। তারই প্রেক্ষিতে আমরা আজ ইউজিসিতে আসি।’ -বলেন অশোক গুপ্ত।  

অপরদিকে স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হান্নান ফিরোজের উপস্থিত হওয়ার কথা থাকলেও তিনি ইউজিসিতে উপস্থিত ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতে ইউজিসিতে কথা হয় স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ফজলে রাব্বি তাজের সঙ্গে। 

তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।’

তার সাথে উপস্থিত ছিলেন স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিন অফিসার মো. মিজানুর রহমান। তিনি দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে অহেতুক অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও এর প্রমাণ স্বরূপ তিনি কোন দলিল উপস্থাপন করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগমের কাছে ফোনে বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে তিনি এ বিষয়ে কোন তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান।

ব্রেকিংনিউজ/এসিডিটি/ডিএইচ/এইচএস



আপনার মন্তব্য

শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং