Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

সোমবার ২০ মে ২০১৯, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » অর্থনীতি 

‘টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা কম’

‘টাকা উদ্ধারের সম্ভাবনা কম’
প্রতিবেদক ১৭ মার্চ ২০১৬, ৩:১১ অপরাহ্ন Print

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ থেকে লোপাট হওয়া বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার উদ্ধারের খুব একটা সম্ভাবনা নাই বলে জানিয়েছে ফিলিপাইনের ‘ব্লু রিবন’ সিনেট কমিটি।

অর্থ পাচারের ঘটনার তদন্তে থাকা কমিটির চেয়ারম্যান তেওফিস্তো গুংগোনা বলেছেন, ‘ওই অর্থ উদ্ধার করা খুবই কঠিন হবে, কেননা তা এরই মধ্যে অতলে হারিয়ে গেছে।’

বুধবার সিনেট কমিটির শুনানিতে সিনেটর গুংগোনার এই বক্তব্য আসে বলে ফিলিপাইনের ডেইলি ইনকোয়ারার এক খবরে জানায়।

কমিটির সদস্য সিনেটর সের্গিও ওসমেনাকে ঊদ্ধৃত করে পত্রিকাটি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকে আসার পর ক্যাসিনোর জুয়ার টেবিলে চলে যাওয়া ওই টাকা এরই মধ্যে দেশের বাইরে পাচার হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিনেটর ওসমেনাকে উদ্ধৃত করে ইনকোয়ারার লিখেছে, ওই টাকা কোথায় গেছে, তার পথ খোঁজার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করছে ক্যাসিনোগুলোর ওপর।

ইনকোয়ারার এর আগে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, চুরি যাওয়া অর্থের মধ্যে ২ কোটি ৬০ লাখ ডলার ক্যাগায়ান প্রদেশের সোলায়ার রিসোর্ট অ্যান্ড ক্যাসিনোতে এবং আরও ২ কোটি ডলার ইস্টার হাওয়াই ক্যাসিনো অ্যান্ড রিসোর্টে ঢোকে। কিন্তু বাকি টাকা কোথায় গেছে, সে তথ্য পিএজিসিওআর কর্মকর্তারা উদঘাটন করতে পারেনি।

তারা বলছেন, বড় জুয়াড়িদের জন্য এসব ক্যাসিনোতে বাকিতে চিপস কেনার সুবিধা রয়েছে। রিজল ব্যাংকের সেই সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টের টাকা জুয়াড়িদের অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার আগেই বাকির সুবিধা নিয়ে তারা খেলতে শুরু করেছিলেন।

ফিলিপাইনের আইন অনুযায়ী ক্যাসিনোতে জুয়ায় জেতা অর্থ থেকে নির্ধারিত ট্যাক্স দিলে তা বৈধ আয় বিবেচিত হয়। সেভাবেই ওই টাকা হাতবদল হয়ে পাচার হয়ে গেছে বলে তদন্তকারীদের ধারণা।

বুধবার সিনেট কমিটির শুনানির পর সিনেটর ওসমেনা ফিলিপাইনের সাংবাদিকদের বলেন, ক্যাসিনোগুলো কার কাছ থেকে ওই টাকা পেয়েছে এবং পরে কার হাতে টাকাগুলো গেছে সে তথ্য খোঁজার চেষ্টা করবেন তারা, যদিও টাকা উদ্ধারের খুব বেশি আশা তারা দেখছেন না।

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্যাসিনোগুলো থেকে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করব। সোলায়ারের প্রেসিডেন্টকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারিনি, কেননা তিনি দেশে ছিলেন না। আর যে আইনজীবীকে তারা পাঠিয়েছিল, সে বিস্তারিত তথ্য জানে না।’

ওসমেনা বলেন, সিনেট কমিটি ওই অর্থের ‘ইলেকট্রনিক ট্রেইল’ খোঁজার চেষ্টা করবে। তবে আইনে অনেক ফাঁক থাকায় ক্যাসিনোগুলো কতোটা তথ্য শেষ পর্যন্ত দেবে, সে বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি।

ব্রেকিংনিউজ/ডিএইচ



আপনার মন্তব্য

অর্থনীতি বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং