Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

সোমবার ২৬ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, পূর্বাহ্ন

প্রচ্ছদ » শিল্প-সাহিত্য 

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ি
উজ্জ্বল রায় ৩১ মার্চ ২০১৬, ৫:০৬ অপরাহ্ন Print

নড়াইল: গ্রাম-বাংলার জনপথে এক সময় গরু-মহিষের গাড়িই যোগাযোগের একমাত্র বাহন ছিল। সময়ের বিবর্তনে আজ গরুর গাড়ি চালক (গাড়িয়াল) ভাই না থাকায়, হারিয়ে যাচ্ছে চিরচেনা গাড়িয়াল ভাইয়ের কণ্ঠে সেই অমৃত মধুর সুরের গান।

পায়ে চলার পথে মানুষ পশু চালিত গরু-মহিষের গাড়ি যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ও বাণিজ্যের পণ্য পরিবহনে প্রধান বাহন হিসেবে ব্যবহার করত। এক সময় পণ্য পরিবহন ছাড়াও গ্রাম-বাংলায় বিবাহের বর-কনে বহনেও বিকল্প কোন বাহন ছিল না।

কিন্তু কালের পরিবর্তনে আজ গরু-মহিষের গাড়ি শুধুই স্মৃতি আর স্মৃতি! তবে গরু-মহিষের গাড়ির পাশাপাশি ঘোড়ার গাড়িও ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তা গরুর গাড়ির তুলনায় কম।

ঘোড়ার গাড়ি বাণিজ্যিকভাবে পরিবহন ছিল দূরের যাত্রার জন্য। এক সময় কৃষকের বাড়ি বাড়ি এ গরুর গাড়ি ছিল বিভিন্ন ব্যবসা, ফসল মাঠে গরুর গবর জৈব সার হিসেবে ফসলি জমির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য পরিবহনে, ফসল ঘরে তোলা বা বাজারজাত করণের জন্য পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি মানুষ পরিবহন এর জন্য টোপরওয়ালা গাড়ি চোখে পড়ার মতো। তা আবার বিভিন্ন রঙে’র কারুকার্য শোভা পেত গাড়িতে।

এছাড়াও এই গরু-মহিষকে চাষ কাজে ব্যবহার করা হতো এবং চাষ জমি ধান রোপণ এর আগে মাটি সমান করার ক্ষেত্রে বিকল্প কোন পথ ছিল না। এই গরুর ব্যবহার বিলুপ্তির সাথে সাথে লাঙ্গল, জোঁয়াল, মই, গরুর গাড়িসহ চাকা, টোপর, এমনকি গাড়িয়াল ভাইয়ের গরু পিটানো লাঠি (প্যান্টি) হারিয়ে গেছে।

আর তাই চাষাবাদের কাজে গরু-মহিষের স্থলে দখল করেছে প্রযুক্তির পাওয়ার ট্রিলার। যান্ত্রিক আবিষ্কার বা বিজ্ঞান প্রযুক্তির পরশে, কালের বিবর্তনে আজ গরু-মহিষ কিংবা ঘোড়ার গাড়ির স্থলে দখল করে নিয়েছে- রিকশা, ভ্যান, ভটভটি, করিমন, নসিমন, অটো-বাইক (চার্জার), টেম্পু, বাস, মাইক্রো-বাস, ট্রাক ইত্যাদি।

ব্রেকিংনিউজ/এসআই



আপনার মন্তব্য

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং