Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

রবিবার ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » শিল্প-সাহিত্য 

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় কবি রফিক আজাদকে শেষ বিদায়

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় কবি রফিক আজাদকে শেষ বিদায়
প্রতিবেদক ১৪ মার্চ ২০১৬, ১:২৫ অপরাহ্ন Print

ঢাকা: একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারজয়ী এবং রণাঙ্গনের যোদ্ধা কবি রফিক আজাদকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়েছে।

সোমবার কবির মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হলে পুলিশের একটি চৌকস দল এই মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার দেয়। এ সময় সরকারের মন্ত্রী, লেখক-শিল্পী-বুদ্ধিজীবী আর নানা ভক্ত পাঠকের শ্রদ্ধার ফুলে ফুলে ছেয়ে যায় কবির কফিন।

সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, কবিতা পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ সামাদ, জাতিসত্তার কবি নূরুল হুদা ও কবি পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে।

বেলা ১২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কবির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কফিন নিয়ে যাওয়া হয় তার পুরনো কর্মস্থল বাংলা একাডেমিতে। কবিকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে পরিবারের।

দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত শনিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) মারা যান রফিক আজাদ, তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

কবিপত্নী রাজধানীর তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ দিলারা হাফিজ সেদিন বলেছিলেন, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার স্বামীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে, শুধু এটাই তার চাওয়া।

১৯৪১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার গুণী গ্রামে রফিক আজাদের জন্ম। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে শুরু করেন শিক্ষকতা।

এরপর বাংলা একাডেমিতে যোগ দিয়ে একাডেমি প্রকাশিত পত্রিকা ‘উত্তরাধিকার’র নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে ১৯৭২ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

‘সাপ্তাহিক রোববার’ সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেন তিনি। কাজ করেছেন বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন, উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রে।

রফিক আজাদের জনপ্রিয় অনেক কবিতার মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হল ‘ভাত দে হারামজাদা’। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের প্রেক্ষাপটে তার এই কবিতা।

তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের মধ্যে আছে- ‘অসম্ভবের পায়ে (১৯৭৩); সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে (১৯৭৪); নির্বাচিত কবিতা (১৯৭৫); চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া (১৯৭৭)।

ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৩ সালে তাকে একুশে পদক দেয়া হয়। ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের পর সাহিত্য কর্মের জন্য আরও অনেক স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি।

একাত্তরে টাঙ্গাইলে আবদুল কাদের সিদ্দিকী নেতৃত্বাধীন কাদেরিয়া বাহিনীর হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এই কবি।

ব্রেকিংনিউজ/ডিএইচ



আপনার মন্তব্য

শিল্প-সাহিত্য বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং