Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

রবিবার ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, অপরাহ্ন

প্রচ্ছদ » কৃষি ও পরিবেশ 

পলাশবাড়ীতে আম-লিচুর মুকুলে কীটনাশক প্রয়োগ

পলাশবাড়ীতে আম-লিচুর মুকুলে কীটনাশক প্রয়োগ
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল ১৫ মার্চ ২০১৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ন Print

গাইবান্ধা: ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বসন্তের সুষ্ক আবহাওয়ায় যতদূর চোখ যায় শুধুই সবুজের সমারহ। সেই সাথে ছড়িয়ে পড়েছে পলাশবাড়ী উপজেলার সর্বত্রই আম-লিচু মুকুলের মৌ মৌ গন্ধ। কিন্তু বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা ফলের বাগানে আম-লিচুর মুকুলে প্রয়োগ করছে বিষাক্ত কীটনাশক। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ছে।

পলাশবাড়ী উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কুষকদের চাষ যোগ্য জমির আইল, বসতভিটায়, বিভিন্ন অফিস-আদালত চত্বরে, সরকারি বেসরকারি পরিত্যক্ত ভূমি ছাড়াও এ অঞ্চলের অনেকেই বাণিজ্যিকভাবে ছোট বড় আম ও লিচু বাগান গড়ে তুলেছেন। গত মৌসুমের তুলনায় এবার প্রাকৃতিক আবহাওয়ার ভারসাম্য ঠিক থাকায় সিংহভাগ আম ও লিচু গাছে প্রত্যাশিত মুকুল এসেছে। তবে অধিক লাভের আশায় ক্ষতিকর কীটনাশক প্রয়োগ করছেন বাগান মালিকরা।

গাছ মালিকদের দাবি, মুকুলে কীটনাশক প্রয়োগ না হলে পোকামাকরের আক্রমণে বেশির ভাগ মুকুল নষ্ট হয়ে যাবে। এতে ফলের গুণগত কোন পরিবর্তন হবে না বলেও তাদের দাবি। পাশাপাশি তারা জানিয়েছেন, প্রাকৃতিক আবহাওয়ার কোন দুর্যোগ না ঘটলে এবার আম ও লিচুর বাম্পার ফলন হবে। এখনও তেমন আম ও লিচু মুকুল বিনষ্টের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যায়নি। তবে সবার মাঝেই বিরাজ করছে ঝড় আতঙ্ক।

গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিটি আম ও লিচু গাছে অধিক মুকুল এসেছে জানিয়ে বাগান ও নার্সারি মালিকরা জানান, গ্রামে গ্রামে রয়েছে আম-লিচুর ছোট বড় প্রচুর গাছ। মুকুল আসার আগে বাগান মালিকরা তাদের ফল গাছের যত্ন নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করে আসছেন। শুধু কীটনাশক নয়। তারা জৈব ও রাসায়নিক দু’ধরনের সারও প্রয়োগ করেন গাছের পরিচর্যায়। আর এসবই করা হয় অধিক ফলন ও বেশি লাভের আশায়।

এরই ধারাবাহিকতায় পলাশবাড়ী উপজেলার সর্বত্রই মুকুল আসা ফল গাছের নানামূখী পরিচর্যা নিয়ে গাছ মালিকরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

বাগান মালিক নজির উদ্দিন ও মোসলেম উদ্দিনসহ আরও অনেকে জানান, আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জানান, বিরাজমান আবহাওয়া ও মাটি আম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। আম ও লিচু গাছে মুকুল থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত গাছের ফল যাতে কোন কারণে বিনষ্ট না হয়, সে জন্য কৃষি বিভাগের সার্বক্ষণিক সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে এবং কুষকদের বহুমূখী পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

কীটনাশকের ব্যবহার প্রসঙ্গে কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, সহনীয় মাত্রায় রাখতে তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। তবে কীটনাশক প্রয়োগের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য কৃষি কর্মকর্তাদের।

ব্রেকিংনিউজ/এইচএস



আপনার মন্তব্য

কৃষি ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং