Facebook   Twitter   Google+   RSS (New Site)

রবিবার ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ৪ অগ্রাহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, পূর্বাহ্ন

প্রচ্ছদ » কৃষি ও পরিবেশ 

ফুলছড়িতে বাদামে ফিরেছে কৃষকের হাসি

ফুলছড়িতে বাদামে ফিরেছে কৃষকের হাসি
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৬, ১০:২১ অপরাহ্ন Print

গাইবান্ধা: জেলার ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের চরাঞ্চলের পলি দো-আঁশ মাটিতে এবছর বাদামের বাম্পার ফলন হয়েছে। আগাম জাতের চিনা বাদাম তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রতিটি লতানো বাদাম গাছের মুঠি ধরে টান দিলেই উঠে আসছে থোকা থোকা সোনালি রঙের বাদাম। এতে চলতি মৌসুমে বাদামের দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র নদীবেষ্টিত চর এলাকায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ৩২০ হেক্টর জমিতে চিনা বাদামসহ বিভিন্ন জাতের বাদাম চাষ করা হয়। চরের বালুতে প্রতি হেক্টর জমিতে ধান ৩০-৩২ মণ হলেও বাদাম হচ্ছে ১৫-১৮ মণ। আর প্রতিমণ কাঁচা বাদাম ১৩০০ থেকে ১৫০০ টাকা পাইকারিভাবে বিক্রি হচ্ছে।
দেশের বিভিন্ন এলাকার বাদাম ব্যবসায়ীরা এখন ফুলছড়ির চর থেকেই বাদাম কিনছেন। এ বছর ফজলুপুর ইউনিয়নের খাটিয়ামারি, চন্দনস্বর, কাউয়া বাঁধা, চিকিরপটল, তালতলা, এরেন্ডাবারী ইউনিয়নের বুলবুলির চর, জিগাবাড়ি, হরিচন্ডি, ফুলছড়ি ইউনিয়নের খোলাবাড়ি, বাজে ফুলছড়ি, বেলুয়াবাড়ি, টেংগারাকান্দি, গজারিয়ার ইউনিয়নের জিয়াডাঙ্গা, কঞ্চিপাড়ার হাড়–ডাঙ্গা, রসুলপুর, সাতারকান্দির চরে বাদামের চাষ করা হয়।

গজারিয়া ইউনিয়নের টেংরাকান্দি চরের বাদাম চাষি আয়িছ উদ্দিন জানান, এ বছর কোনো রোগ বালাই না থাকায় বাদামের গাছ নষ্ট হয়নি। তাই আগাম জাতের চিনা বাদাম অনেক ভালো হয়েছে। প্রতি কেজি কাঁচা বাদাম পাইকারি দরে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

ফুলছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তাহাজুল ইসলাম বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর বাদামের ফলন ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে. আগাম জাতের চিনা বাদাম তোলা শুরু করেছেন কৃষকরা। এতে চরাঞ্চলের প্রায় ২০ হাজার কৃষক পরিবারে ফিরে এসেছে সচ্ছলতা।

ব্রেকিংনিউজ/প্রতিনিধি/এমএইচ



আপনার মন্তব্য

কৃষি ও পরিবেশ বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত ৩২


উপরে

ব্রেকিং